2:45 AM by Unknown
গত
২০ এপ্রিল ২০১৩ বাগেরহাটের রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক তাপ
বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ উপলক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ ক্রয়
চুক্তি (পিপিএ), বাস-বায়ন চুক্তি (আইএ), যৌথ উদ্যোগ চুক্তির সম্পূরক
(এসজেভিএ) স্বাক্ষরিত হয়। ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার
করপোরেশন (এনটিপিসি) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)এর যৌথ
উদ্যোগে ইন্ডিয়া বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ
কেন্দ্র নির্মাণের জন্য পরিবেশগত সমীক্ষা ছাড়াই মংলা সমুদ্রবন্দরের কাছে
রামপালে এক হাজার ৮৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করে বালু ভরাটের কাজ করা শুরম্ন হয়।

বলা প্রয়োজন এটি রামপালে ১ম পর্যায়ের কেন্দ্র। পরবর্তীতে রামপালে ২য়
পর্যায়ে একই ক্ষমতার আরও একটি কেন্দ্র বসানো হবে। প্রকল্পটি একটি যৌথ
ব্যবসার অধীনে সম্পাদিত হবে। ভারত সরকারের একটি সংস'া হ"েছ একপক্ষ,
বাংলাদেশ সরকারের একটি সংস'া হ"েছ অন্য পক্ষ। যৌথ ব্যবসাটি হবে অবিকল
কুমীর-শেয়ালের ব্যবসার গল্পের মত। সকল সুযোগ-সুবিধা ও লাভ যাবে চতুর
শেয়ালের ভাগে আর যত আবর্জনা, অসুবিধা ও লোকসান যাবে সব বোকা কুমীরের ভাগে।
এই প্রকল্প নিয়ে আমরা তিনটি গুর"তর সমস্যা শনাক্ত করেছি। প্রথমত, চুক্তি
অসম ও অস্ব"ছ, দ্বিতীয়ত, এই প্রকল্পের জন্য যে স'ান নির্বাচন করা হয়েছে
তাতে বাংলাদেশ ও বিশ্বের অমূল্য সম্পদ সুন্দরবন ভয়াবহ হুমকির মুখে। আর
তৃতীয়ত, এই প্রকল্প বাস-বায়নের প্রথম থেকেই অনিয়ম, নিপীড়ন শুর" হয়েছে।
প্রয়োজনীয় সমীক্ষার শর্তপূরণ না করেই জমি অধিগ্রহণ করে গোটা অঞ্চলে
সন্ত্রাসী ও পুলিশ দিয়ে জোরপূর্বক গরিব মানুষদের উ"েছদ করা হয়েছে।
আমাদের প্রশ্ন, এই প্রকল্প যদি দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই করা হবে তাহলে এতসব অনিয়ম, হুমকি জোরজুলুম, গোপনীয়তা আর অস্ব"ছতা কেন?
# Be SafeSundarbans Safari
ReplyDelete